Homeআন্তর্জাতিকNalanda University–তে “Dharma & Global Ethics” সম্মেলন: প্রাচীন দর্শন ও গ্লোবাল ন্যায়বোধ

Nalanda University–তে “Dharma & Global Ethics” সম্মেলন: প্রাচীন দর্শন ও গ্লোবাল ন্যায়বোধ

nalanda university
  1. গত ২৮ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে, ভারতীয় রাজগিরে অবস্থিত Nalanda University–র ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলন, যার শিরোনাম “Dharma and Global Ethics: Insights from Bharatiya Shastra Parampara”।

এই সম্মেলনে অংশগ্রহণ করবে নয় দেশ থেকে পণ্ডিত, আধ্যাত্মিক শিক্ষক, নীতি–প্রণেতা, এবং নীতি বিশ্লেষক — এবং আলোচ্য হবে কীভাবে প্রাচীন ভারতীয় দর্শন “Dharma” এবং শাস্ত্রীয় ন্যায়বোধ (ethical philosophy) আজকের বিশ্বব্যাপী চ্যালেঞ্জ, অর্থাৎ জলবায়ু পরিবর্তন, সামাজিক বৈষম্য, রাজনৈতিক অস্থিরতা, পরিবেশ সংকট, এবং বৈশ্বিক ন্যায়বিচার ইস্যুর সঙ্গে মিলিয়ে প্রয়োগ করা যায়।

সম্মেলনের প্রথম অধিবেশনে বক্তৃতা দেবেন ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের যুগ্ম সচিব এবং শিক্ষাব্যবস্থার দায়িত্বে থাকা জাতীয় আধুনিক জ্ঞান ব্যবস্থাপনা বিভাগের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন প্রাচীন জ্ঞান ব্যবস্থার বিশেষজ্ঞ পণ্ডিতদের পাশাপাশি থাইল্যান্ড ও অন্যান্য দেশ থেকে আগত চিন্তাবিদরা।

চারটি প্রধান সেশন হবে —Dharma ও সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ ,দর্শন ও নৈতিকতা ,অর্থনীতি ও পরিবেশ”, এবং গ্লোবাল ন্যায়, সামাজিক দায়বোধ ও টেকসই ভবিষ্যৎ”।পাশাপাশি, একটি বিশেষ পাবলিক সেশন থাকবে “লোকিক সংগ্রহ (Loka Sangraha) এবং সমসাময়িক বিশ্ব” যেখানে সাধারণ মানুষ, নীতি–প্রণেতা, পরিবেশবিদ, এবং নাগরিক সচেতনরা অংশ নেবেন।

এই উদ্যোগ দেখায় — আজ, যখন বিশ্ব জলবায়ু সংকট, ন্যায়বিচার, উদ্বাস্তু সমস্যা, সমতার দাবি, পরিচয় ও বৈষম্য, বৈশ্বিক migrations ইত্যাদি নিয়ে জটিল সংকটের মুখোমুখি প্রাচীন দার্শনিক ও নৈতিক ঐতিহ্যগুলো পুনরায় প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠছে। অর্থাৎ, শুধু প্রযুক্তি বা আইন নয়; নৈতিক ও আধ্যাত্মিক বোধ, সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ, সামাজিক দায়িত্ব — এগুলোই এখন গ্লোবাল ন্যায়বিচারের মূল চালিকা শক্তি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।